পুরাতন দলিল খুজে বের করুন খুব সহজে নতুন ‍নিয়মে

পুরাতন দলিল খুজে বের করুন খুব সহজে নতুন ‍নিয়মে। বর্তমান বাংলাদেশে এই ডিজিটাল যুগে হাতের মুঠোফোনে বা মোবাইলে দিয়ে পুরাতন দলিল খুজে বের করার সহজ সমাধান। আপনি কি জানতে চান কিভাবে এই বর্তমান সময়ে  পুরাতন দলিল খুজে বের করতে হয়? তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনির জন্য। কিভাবে পুরাতন দলিল খুজে বের করবেন তা সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

ছবি

পুরাতন দলিল খুজে বের করুন খুব সহজে নতুন ‍নিয়মে। সে সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আমরা এখন দেখব আমারা সাধারণত কি কি পদ্ধতি অনুসরণ করে পুরাতন দলিল খুজে বের করতে সক্ষম হব তা নিচে বিস্তারিত জেনে নিই।

পেজ সূচিপত্রঃ পুরাতন দলিল খুজে বের করুন খুব সহজে নতুন ‍নিয়মে

  • পুরাতন দলিল খুজে বের করুন খুব সহজে নতুন ‍নিয়মে
  • পুরাতন দলিল বের করার সহজ উপায় 
  • দলিল কি
  • দলিলের প্রকার
  • জমির দলিল হারিয়ে গেলে কিভাবে ফিরে পাব
  • পুরাতন দলিলের তল্লাশি কিভাবে করব  
  • দাগ নম্বর দিয়ে দলিল বের করার সহজ উপায় 
  • অনলাইনে পুরাতন দলিল বের করার ধাপসমূহ 
  • পুরাতন দলিল বের করার কার্যকরী টিপস
  • শেষ কথাঃ পুরাতন দলিল খুঁজে বের করুন খুব সহজে নতুন নিয়মে

পুরাতন দলিল খুঁজে বের করুন খুব সহজে নতুন নিয়মে

পুরাতন দলিল খুঁজে বের করুন খুব সহজে নতুন নিয়মে তা সম্পর্কে আমরা এখন বিস্তারিত আলোচনা করব যে কিভাবে পুরাতন দলিল খুজে বের করব এবং কিভাবে সেটা আমরা দেখব। বর্তমান সময়ে এই ডিজিটাল যুগে আমরা হাতের মুঠোফোন বা মোবাইল ফোন দিয়ে যেকোনো ধরনের দলিলপত্র আমরা সহজে বের করতে পারি। কোন দালাল চক্র ও ঘুষ ছাড়া এটি এখন করা সম্ভব। কিন্তু অনেকেই সঠিক কৌশল না জানার কারণে বের করতে অসক্ষম হয়।

আরো পড়ুনঃ দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps 

আমরা সাধারণত অন্যের উপর ভরসা করে থাকি যে উনি আমাদেরকে সহজ ভাবে দলিল বের করে দিবে কিন্তু আসলে এটা আদৌ সহজ নয় কারণ পুরাতন দলিল বের করতে হলে সর্বপ্রথম ভূমি অফিসের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। ভূমি অফিসের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে সেই নিয়মগুলো অবলম্বন করে পুরাতন জমিদারের গুলো বের করা সম্ভব। আর যদি এতেও সম্ভব না হয় সেক্ষেত্রে অনলাইনে সরকারি ওয়েবসাইটে জমির তথ্য ও ইনফরমেশন দিয়ে পুরাতন জমির দলিল বের করা সম্ভব।

পুরাতন দলিল বের করার সহজ উপায়

বাংলাদেশের পুরাতন দলিল খুঁজে বের করার কিছু সহজ পদ্ধতি অবলম্বন করে নিচে কিছু ওয়েবসাইট দেওয়া হলো সেই ওয়েবসাইট গিয়ে নিজের জমির ইনফরমেশন দিলে পুরাতন দলিলের সমস্ত কাগজপত্র খুঁজে পাওয়া যাবে। আর এই ওয়েবসাইট গুলি হল বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের সরকারি ওয়েবসাইট। একটা হল www.land.gov.bd আর অপরটা হল www.dlrms.land.gov.bd এই দুইটি ওয়েবসাইটের মধ্যে প্রবেশ করে আপনি আপনার জমির সমস্ত তথ্য এই ওয়েবসাইটে ফিলাপ করলে আপনি আপনার জমির পুরাতন দলিল খুঁজে বের করতে সক্ষম হবেন। এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধান করার জন্য আপনাকে কিছু ফর্মুলা বা নিয়ম মেনে ব্যবহার করতে হয় যেমন;
  • বিভাগের নাম
  • জেলার নাম
  • উপজেলার নাম
  • মৌজার খতিয়ান নাম্বার বা দাগ নম্বর
  • মালিকের নাম ইত্যাদি।
এ সকল তথ্য গুলো সঠিকভাবে পূরণ করে যাচাই করে সার্চ বাটনে ক্লিক করতে হবে। তারপর আপনার কাছে জমির সকল তথ্য অটোমেটিক্যালি সামনে চলে আসবে যেমন;
  • মালিক এর নাম
  • খতিয়ান এর নম্বর
  • জমির দাগ
  • জমির পরিমাণ
  • জমির ধরন
কখন কবে নামজারি করা হয়েছিল সেই দলিল রেজিস্ট্রেশন পুরোপুরি আপনার সামনে ওয়েবসাইটের শো করবে। আর যদি আপনার দলিলের স্ক্যান কপি থাকে তবু সেটি ওয়েবসাইটে শো করে দেখাবে। আরো অনেক দলিল আছে যেগুলো বাংলাদেশের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এখনো শো  করানো হয়নি। ওয়েবসাইটে যদি আপনার তথ্য বা কপি না আসে তবে আপনি সংশ্লিষ্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে দলিল নম্বর, মালিকের নাম, সাল দিয়ে, পুরাতন রেজিস্ট্রি বই দেখে শুনে সংগ্রহ করতে পারেন।

দলিল কি

দলিল হচ্ছে একটা সম্পত্তির মালিকানার প্রমাণপত্র। অর্থাৎ একটা জমির মালিক কে তার বিস্তারিত বিবরণ সেই দলিলে উল্লেখ থাকে। দলিল একটি গুরুত্বপূর্ণ কাগজ বা নথি যা প্রত্যেক জমির মালিক কে গুরুত্বের সাথে সংরক্ষণ করে রাখা প্রয়োজন। আমি এবং আপনারা সবাই মিলে জমির কাগজ ও জমির নথিপত্র খুবই গুরুত্বের সাথে সংগ্রহ করে রক্ষণাবেক্ষণ করে রাখবো যাতে আমাদেরকে পরবর্তীতে ভোগান্তির পোহাতে না হয়। আর এজন্য আমাদেরকে জমি সংক্রান্ত কাগজপত্রাদি ও জমির নথিপত্র প্রতিটি জিনিস যত্নের সাথে নিয়ম মেনে রক্ষণাবেক্ষণ করা উচিত।

দলিলের প্রকার

জমির দলিল বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে যেমন;
সাধারণত সাব কবলা দলিল হয়ে থাকে: মালিক পক্ষ ক্রয় সূত্রের মালিক হলে সাব কবলা দলিল দেখাতে হয় বা করতে হয়। 
দান বা হেবা নামা দলিল: মালিকপক্ষ দান বা হেবানামা সম্পত্তির মালিক হলে দান বা হেবানামা দলিল তৈরি করতে হয়।
বন্টন দলিল: মালিকপক্ষ উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির মালিক হলে বন্টন দলিল তৈরি করতে হয়।

জমির দলিল হারিয়ে গেলে কীভাবে ফিরে পাব

জমির দলিল বা জমির কাগজপত্রাদি হারিয়ে গেলে কি করতে হবে বা কি করব আমাদের অনেকেরই জানা নেই। আবার অনেকেরই এই সম্পর্কে ধারণা রয়েছে। জমির মূল দলিল বা জমির মূল কাগজ যদি কখনো হারিয়ে যাই সে ক্ষেত্রে জমির মালিকানা নষ্ট হয় না। কারণ জমির কাগজের আসল রেকর্ডপত্র সব রেজিস্ট্রি অফিসে বা ভূমি অফিসে খতিয়ান নাম জারি হিসেবে থেকে থাকে তাই সঠিক নিয়মে চলাফেরা করলে সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয়। আমাদের জমির দলিল যদিও কখনো কোন ভাবে হারিয়ে যায় তাহলে সাথে সাথে আমাদের ভেঙে না পড়ে সেই প্রবলেম সমাধান করার জন্য অতি তাড়াতাড়ি নিকটতম থানায় সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করা আমাদের উচিত।
জিডিতে আপনার সম্পূর্ণ প্রয়োজনীয় তথ্য লিখতে হবে যেমন;
  • দলিল হারানোর নির্দিষ্ট তারিখ লিখতে হবে 
  • দলিলের নম্বর ও রেজিস্ট্রেশনের সাল উল্লেখ করতে হবে
  • জমির সাব রেজিস্ট্রি অফিসের নাম উল্লেখ করতে হবে
  • জমির বিবরণ, মৌজা, দাগ, খতিয়ান সবকিছু উল্লেখ করতে হবে
আরো পড়ুনঃ মাসে ৫০ হাজার টাকা আয় করার ১০টি উপায়
এইসব সকল সম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে থানায় আপনার জিডি কমপ্লিট করতে হবে। জিডির যতদিন না আপনি আপনার সম্পূর্ণ জমির দলিল পাচ্ছেন অবশ্যই এই একই কপি সাবধান সহকারে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। আবার গুরুত্বপূর্ণভাবে বলা বলা যায় আপনি ভূমি অফিসে গিয়ে আবেদন করে রাখতে পারেন।

পুরাতন দলিলের তল্লাশি কিভাবে করব

বাংলাদেশের অনেক জমির মালিক আছে কিন্তু তাদের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই, আর হাতে কিছু কাগজপত্র না থাকায় বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে জনসাধারণ মানুষকে। সে ক্ষেত্রে নিকটতম কাছাকাছি ভূমি অফিসের সাথে সকলকে যোগাযোগ করার আহবান রইল বা যোগাযোগ করার জরুরি। আপনি তাদের মাধ্যমে আপনার জেলা পর্যায়ে নিকটতম  ভূমি অফিসে জমির দলিল খুঁজে বের করতে পারেন এইভাবে জমির তল্লাশি করতে আপনার বেশ কয়েক মাস বা ছয় মাস থেকে এক বছরেরও বেশি সময় লেগে যেতে পারে। তাই জমির পুরনো দলিল খুঁজে বের করার জন্য বেশি  সময় লাগার প্রধান কারণ হলো এই সমস্ত দলিল এমন ভাবে পর্যবেক্ষণ বা তৈরি করা হয়েছে যা তখনকার আমলে তেমন তাদের কোন ডিজিটাল কপি ছিল না, সেগুলো কেবল কাগজের রয়েছে এবং সেই কাগজগুলো বর্তমান সময়ে পাওয়া অনেক কষ্টকর হয়ে যায়।

সাধারনত ২০ থেকে ৩০ বছর বা এর অধিকতর সময় কিছু ক্ষেত্রে ৪০ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত পুরাতন জমির তল্লাশি করা হয়। কারণ এখানে এইগুলো আইনে আওতায় ধরা হয়। এই সময়ের মধ্যে জমির মালিকানা পরিষ্কারভাবে যাচাই-বাছাই করা অত্যন্ত জরুরী। এখন তল্লাশি করার জন্য আমাদের যে কাগজপত্রাদি গুলো প্রয়োজন হবে সেগুলো নিচে নিম্নরূপ আকারে দেওয়া হল;
  • সর্বশেষ দলিলের কপি উল্লেখ করতে হবে 
  • খতিয়ানের মধ্যে (CS, SA, RS, BS) সম্পূর্ণ দিতে হবে 
  • দাগ নম্বর দিতে হবে
  • মৌজার নাম উল্লেখ করতে হবে
  • সাব রেজিস্ট্রি অফিসের নাম দিতে হবে 
  • মালিকের নাম উল্লেখ করতে হবে 

দাগ নম্বর দিয়ে দলিল বের করার সহজ উপায়

সরাসরি দাগ নম্বর দিয়ে অনলাইনে দলিল বের করা সম্ভব না। তবে শুধুমাত্র দাগ নম্বর ব্যবহার করে দলিলে সকল ইনফরমেশন বা তথ্য বের করা যায়। এর কারণ দলিল সাধারণত রেজিস্ট্রেশন হয় দলিলের নম্বর ও সাল অনুযায়ী দাগ নম্বর থাকে, খতিয়ান ও ম্যাপের সাথে যুক্ত করে তাই সরাসরি দাগ নম্বর দিয়ে দলিল বের করা কোনভাবেই সম্ভব হয়ে উঠে না। কিন্তু অনেক সময় বেশ কিছু তথ্য পাওয়া যায়। আর এই সকল তথ্যগুলো পাওয়ার জন্য আমাদের বাংলাদেশের সরকারি এই ওয়েবসাইটে গিয়ে www.land.gov.bd সর্বপ্রথম দাগ নাম্বার দিয়ে খতিয়ানের সমস্ত তথ্য বের করা যায়। এবং আপনি এই ওয়েবসাইটে গিয়ে রেকর্ড ম্যাপ https://e-porcha.com সেকশনে গিয়ে আপনার বিভিন্ন তথ্য ও মতামত দিতে হবে যেমন; 
  • বিভাগ এর নাম
  • জেলা এর নাম
  • উপজেলা এর নাম
  • মৌজার নাম
  • দাগ নম্বর (CS, SA, RS, BS) ইত্যাদি।
এ সকল তথ্য সঠিকভাবে দিয়ে সার্চ বাটনে ক্লিক করলে আপনি যে সকল তথ্যগুলো পাবেন সেগুলো নিচে দেওয়া হল;
  • খতিয়ান এর নাম্বার
  • মালিকের নাম
  • জমির পরিমাণ 
  • জমির শ্রেণী
  • জমির সংশ্লিষ্ট অফিসের নাম ইত্যাদি।
আপনি যদি মনে করেন এ সকল তথ্য পিডিএফ এর মাধ্যমে পর্চা ডাউনলোড করতে পারবেন এবং আপনি যদি অফিসে গিয়ে খতিয়ান নম্বর দিয়ে দলিল সংগ্রহ করতে চান তাইলে অনলাইনে সম্পূর্ণ দাগ নাম্বার দিয়ে মালিকানা ও খতিয়ানের সকল তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে পারবেন। আর যে সকল তথ্য চাইবে সবকিছু সঠিকভাবে দিতে হবে, এরপর দাগ নম্বর দিয়ে দলিল বের করা সরাসরি সম্ভব হয়ে ওঠে না, এবং দাগ নম্বর দিয়ে জমির খতিয়ান ও মালিকানা যাচাই করার পরে পরবর্তীতে একটি মূল দলিলের কাগজ পত্রাদির কপি সংগ্রহ করা যেতে পারে এবং অবশ্যই সংগ্রহ করা সম্ভব।

অনলাইনে পুরাতন দলিল বের করার ধাপসমূহ

বাংলাদেশের অনলাইন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পুরাতন দলিল বের করার সহজ দুটি ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে আপনি আপনার জমি বা বাড়ির দলিলের সমস্ত তথ্য সহজে পেয়ে যাবেন এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। আপনি কে অবশ্যই অনলাইনে পুরাতন দলিল খোঁজ করার আগে এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে যে, আপনার জমি ও বাড়ির রেজিস্ট্রেশন অনলাইনে করা আছে কিনা তা সম্পর্কে আপনাকে পুরোপুরি 100% নিশ্চিত হতে হবে। আপনি জমি ও বাড়ির অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা না থাকলে আপনি অনলাইনের মাধ্যমে জমির দলিলের সকল তথ্য বা ইনফরমেশন পাবেন না। আর যদি আপনি সঠিক ভাবে নিশ্চিত হয়ে জেনে থাকেন যে, আপনির জমি ও বাড়ি বাংলাদেশের সরকারি ওয়েবসাইটে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা আছে তাহলে আপনি ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট গুলোতে সহজে যেতে বা ঢুকতে পারবেন।

বাংলাদেশের সরকারি ওয়েবসাইটগুলোতে অনলাইনের মাধ্যমে পুরাতন দলিল সহজ ভাবে বের করার দুটি নিশ্চিত মাধ্যম রয়েছে। আপনি যদি মনে করেন এই ওয়েবসাইটের মধ্যে প্রবেশ করে সেখানকার সকল তথ্য সঠিকভাবে দিয়ে আপনার বাড়ি ও জমির সকল তথ্যগুলো একসাথে দেখতে পারবেন। নিচে আপনার সুবিধার্থে বা সুবিধার জন্য ওয়েবসাইটের এড্রেসগুলো দেওয়া হলো https://land.gov.bd এবং এই ওয়েবসাইট গুলোতে প্রবেশ করার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে “ভূমি তথ্য বাতায়ন” এই নামে গুগলে লিখে সার্চ দিতে হবে। এরপর আপনার সামনে অটোমেটিক্যালি চলে আসবে আর আপনি সহজে সেই তথ্যগুলো দেখতে পারবেন। 

ওপরে যেভাবে দেওয়া আছে সেভাবে ঠিক সেই রকম ভাবে আপনাকে তথ্যগুলো দিতে হবে। আর এই সকল তথ্য আপনি আপনার খতিয়ানের মধ্যে পেয়ে যাবেন। তারপর সব তথ্য বা উপাত্ত গুলো দেওয়ার পরে দেখবেন ওপরের কিছু অপশন দেওয়া আছে। আপনির চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনমতো সেই অপশন গুলোতে ক্লিক করলে আপনার জমির দলিলের যাবতীয় তথ্য গুলো খুব সহজে আপনি দেখতে পারবেন।

পুরাতন দলিল বের করার কার্যকরী টিপস

অনলাইনে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পুরাতন দলিল বের করার জন্য ১০০% নিশ্চিত প্রথম দিকে  ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়েছে। একটু উপরে দিকে প্রথম ওয়েবসাইটের মত একই নিয়মে দ্বিতীয় ওয়েবসাইটে ভেতরে বিস্তারিত সবকিছু দিতে হবে। উপরের দিকে প্রথম ওয়েবসাইটে যেরকম ভাবে ধাপগুলো উল্লেখ করা আছে। ঠিক সেই ভাবে একই নিয়মে দ্বিতীয় ধাপ অবলম্বন করে অর্থাৎ দ্বিতীয় ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সকল ইনফরমেশন বা তথ্যগুলো দিতে হবে। আপনি আপনির পছন্দ মতো এই দুই ওয়েবসাইটের মধ্যে যেকোনো একটি থেকে আপনার দলিলের সমস্ত তথ্য গুলো বের করে নিতে পারেন। আর এই ওয়েবসাইটে যাওয়ার জন্য আপনাকে উপরে Google সার্চ বারে গিয়ে উপরে "ভূমি রেকর্ড ও ম্যাপ সেবা" বা www.dlrms.land.gov.bd লিখে সার্চ করলে আপনার সামনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সকল ওয়েবসাইট গুলো চলে আসবে।

আরো পড়ুনঃ 

জমির দলিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয় জিনিস। আপনার কাছে যে সম্পত্তির কোন দলিল নেই, সেই সম্পত্তি আপনার আয়ত্তে কোনদিনই থাকবে না। তাই জমির দলিল নিয়ে আপনাকে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। জমির দলিল অনেক ক্ষেত্রেই পরিবর্তন হতে পারে। আর যেমন কারো নিকট বিক্রির জন্য, আবার পরিবারের ক্ষেত্রে যদি মালিকানা পরিবর্তনের জন্য জমির দলিল পরিবর্তন করতে হয়। তাই আমাদের অবশ্যই সকলেরই উচিত জমির দলিল সঠিকভাবে সাবধানের সহিত সংরক্ষণ করে রাখা ইত্যাদি।

শেষ কথাঃ পুরাতন দলিল খুঁজে বের করুন খুব সহজে নতুন নিয়ম

আমি আশা করি উপরোক্ত বিষয় থেকে আপনি বুঝতে পেরেছেন কিভাবে পুরাতন দলিল খুঁজে বের করবেন খুব সহজে নতুন নিয়মে। এছাড়াও আরো অন্যান্য বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতিতে কিভাবে পুরাতন দলিল ‍খুজে বের করবেন তা বলা হয়েছে এই আর্টিকেলের ভিতরে। আপনারা আরেকটি বিষয় লক্ষ্য করবেন যেসব তথ্য বা যে সকল তথ্য দিয়ে জমির দলির বের করা যায় সে সকল তথ্যগুলো যেন একদম নির্ভুল হয় ইত্যাদি। 

আশা করি আপনারা উপরের বিষয়বস্তুগুলো পড়ে উপকৃত হয়েছেন। এছাড়াও আপনারা উপরের কোনো বিষয়বস্তু থেকে উপকৃত হয়েছেন কিনা তার সম্পর্কে আপনারা আপনাদের বন্ধুদের কাছে শেয়ার করতে পারেন। এবং আশা করি সুন্দর করে একটি কমেন্ট করে যাবেন। এছাড়াও আরো শিক্ষণীয় আর্টিকেল পাওয়ার জন্য আপনারা আমাদের ওয়েবসাইটের সকল কনটেন্ট গুলো দেখবেন ও এর বিষয় বস্তুগুলো মনোযোগ সহকারে ভিজিট করবেন। আর আপনাদের সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার এই আর্টিকেলটি সম্পন্ন মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য। আপনাদেরকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ। এছাড়াও প্রতিদিন নতুন পোষ্টের আপডেট পেতে আমাদেরকে সাবস্ক্রাইব করুন ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ট্রাস্ট ক্রিয়েটিভ আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Fazle Shaikh Ovi
Md. Fazle Shaikh Ovi
আমি ট্রাষ্ট ক্রিয়েটিভ আইটির একজন এডমিন। আমি ট্রাষ্ট ক্রিয়েটিভ আইটির ওয়েবসাইটে অনলাইন ইনকাম, তথ্য, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি। আমি নিজেকে ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে গড়ে তুলতে চাই ।